দুর্গাপুজো মানেই বাঙালির কাছে আনন্দ, আড্ডা, নতুন জামাকাপড়, প্যান্ডেল হপিং আর পছন্দের খাবার। তবে অনেকেই পুজোর কয়েকদিনের ছুটি কাজে লাগিয়ে পরিবারের সঙ্গে বা বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে বেরিয়ে পড়েন।
২০২৬ সালের দুর্গাপুজোর মূল উৎসবের দিনগুলো অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে পড়ছে। তাই এখন থেকেই যদি ভ্রমণের পরিকল্পনা করেন, তাহলে ট্রেন বা বিমানের টিকিট এবং হোটেল আগে থেকে বুক করে রাখা ভালো।
পাহাড়, সমুদ্র, জঙ্গল, রাজপ্রাসাদ কিংবা আধ্যাত্মিক পরিবেশ—আপনার পছন্দ যাই হোক না কেন, পুজোর ছুটিতে ঘুরে আসার জন্য ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে রয়েছে অসাধারণ কিছু জায়গা।
চলুন দেখে নেওয়া যাক পুজোর ছুটিতে ভ্রমণের জন্য সেরা কয়েকটি জায়গা।
১. উত্তরাখণ্ড – পাহাড়, মন্দির ও প্রকৃতির হাতছানি
পাহাড়প্রেমীদের কাছে উত্তরাখণ্ড সবসময়ই একটি বিশেষ গন্তব্য। হিমালয়ের কোলে অবস্থিত এই রাজ্যে রয়েছে তুষারঢাকা পাহাড়, সবুজ উপত্যকা, নদী, ঝরনা, জঙ্গল এবং অসংখ্য প্রাচীন মন্দির।
পুজোর সময় বর্ষার প্রভাব অনেকটাই কমে আসে এবং পাহাড়ি অঞ্চলগুলো ধীরে ধীরে ভ্রমণের জন্য আরামদায়ক হয়ে ওঠে।
যা দেখতে পারেন:
- মুসৌরি
- নৈনিতাল
- ঋষিকেশ
- হরিদ্বার
- আলমোড়া
- কৌসানি
- চোপতা
- ফুলের উপত্যকা
অ্যাডভেঞ্চার পছন্দ করলে ট্রেকিং, রিভার রাফটিং এবং ক্যাম্পিংয়ের সুযোগও রয়েছে।
কার জন্য উপযুক্ত: পরিবার, দম্পতি, প্রকৃতিপ্রেমী ও অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমী।
২. অসম – জঙ্গল, চা-বাগান ও কামাখ্যার টানে
প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণী ভালোবাসলে অসম হতে পারে আপনার পুজোর ছুটির অন্যতম সেরা গন্তব্য।
বিশাল ব্রহ্মপুত্র নদ, সবুজ চা-বাগান, পাহাড় এবং জঙ্গলের সমন্বয়ে অসমের প্রকৃতি একেবারেই আলাদা।
অসম ভ্রমণে কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যান অবশ্যই তালিকায় রাখতে পারেন। একশৃঙ্গ গণ্ডারের পাশাপাশি এখানে বিভিন্ন ধরনের বন্যপ্রাণী দেখার সুযোগ রয়েছে।
আধ্যাত্মিক ভ্রমণের জন্য গুয়াহাটির কামাখ্যা মন্দির বিশেষ আকর্ষণ।
এছাড়াও যেতে পারেন মাজুলি, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ নদীদ্বীপগুলোর একটি, যেখানে অসমীয়া সংস্কৃতি, সত্র এবং গ্রামীণ জীবনের সুন্দর অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়।
যা দেখতে পারেন:
- গুয়াহাটি
- কামাখ্যা মন্দির
- কাজিরাঙা
- মাজুলি
- শিবসাগর
- ডিব্রুগড়ের চা-বাগান
কার জন্য উপযুক্ত: পরিবার, প্রকৃতিপ্রেমী ও wildlife lovers।
৩. তেলেঙ্গানা – ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আধুনিকতার মেলবন্ধন
২ জুন ২০১৪ সালে গঠিত তেলেঙ্গানা ভারতের একটি অপেক্ষাকৃত নতুন রাজ্য। তবে এর ইতিহাস বহু শতাব্দী পুরনো। হায়দরাবাদ শহরকে কেন্দ্র করে এখানে আধুনিকতা, নিজামি ঐতিহ্য, স্থাপত্য এবং দক্ষিণ ভারতীয় সংস্কৃতির সুন্দর মেলবন্ধন দেখা যায়।
পুজোর ছুটিতে কয়েকদিনের city break-এর জন্য হায়দরাবাদ বেশ ভালো একটি বিকল্প।
যা দেখতে পারেন:
- চারমিনার
- গোলকোন্ডা ফোর্ট
- সালার জং মিউজিয়াম
- হুসেন সাগর
- রামোজি ফিল্ম সিটি
- ওয়ারাঙ্গল
হায়দরাবাদের বিখ্যাত বিরিয়ানি ও স্থানীয় খাবারও ভ্রমণের অন্যতম আকর্ষণ।
কার জন্য উপযুক্ত: পরিবার, ইতিহাসপ্রেমী, food lovers এবং city travellers।
৪. রাজস্থান – রাজকীয় ভারতের স্বাদ
পুজোর ছুটিতে একটু অন্যরকম অভিজ্ঞতা চাইলে রাজস্থান হতে পারে দারুণ পছন্দ।
রাজস্থানের দুর্গ, রাজপ্রাসাদ, মরুভূমি, লোকসংগীত, হস্তশিল্প এবং রাজকীয় সংস্কৃতি আপনাকে নিয়ে যাবে ভারতের ইতিহাসের এক অন্য অধ্যায়ে।
জয়পুর, উদয়পুর, যোধপুর এবং জয়সলমের—প্রতিটি শহরের রয়েছে নিজস্ব আকর্ষণ।
যা দেখতে পারেন:
- আমের ফোর্ট
- সিটি প্যালেস
- হাওয়া মহল
- মেহরানগড় ফোর্ট
- উদয়পুরের লেক
- জয়সলমের ফোর্ট
- থার মরুভূমি
জয়সলমেরে মরুভূমিতে camel safari এবং desert camping-এর অভিজ্ঞতাও নিতে পারেন।
কার জন্য উপযুক্ত: পরিবার, দম্পতি, ইতিহাসপ্রেমী ও photography lovers।
৫. মধ্যপ্রদেশ – জঙ্গল ও বন্যপ্রাণীর রাজ্য
বন্যপ্রাণী ভালোবাসেন? তাহলে পুজোর ছুটিতে মধ্যপ্রদেশের জঙ্গল আপনার জন্য দুর্দান্ত একটি গন্তব্য।
মধ্যপ্রদেশে রয়েছে ভারতের বেশ কয়েকটি বিখ্যাত national park। বিশেষ করে কানহা, বান্ধবগড় এবং পেঞ্চ বাঘ দেখার জন্য জনপ্রিয়।
জঙ্গল সাফারির সময় বাঘ ছাড়াও হরিণ, গৌর, বুনো কুকুর এবং বিভিন্ন ধরনের পাখি দেখার সুযোগ রয়েছে।
এছাড়াও মধ্যপ্রদেশে রয়েছে খাজুরাহোর ঐতিহাসিক মন্দির, ভীমবেটকার rock shelters এবং সাঁচির বৌদ্ধ ঐতিহ্য।
যা দেখতে পারেন:
- কানহা জাতীয় উদ্যান
- বান্ধবগড়
- পেঞ্চ
- খাজুরাহো
- সাঁচি
- ভীমবেটকা
কার জন্য উপযুক্ত: wildlife lovers, photography lovers এবং adventure travellers।
৬. গোয়া – সমুদ্র, জলপ্রপাত ও ছুটির আনন্দ
গোয়া শুধু সমুদ্রসৈকতের জন্য বিখ্যাত নয়। এখানে রয়েছে পুরনো গির্জা, পর্তুগিজ স্থাপত্য, সবুজ পাহাড়, নদী এবং জলপ্রপাত।
বর্ষার পর গোয়ার প্রকৃতি আরও সবুজ হয়ে ওঠে। Dudhsagar Falls-এর মতো জলপ্রপাত বর্ষার পর বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করে।
যা দেখতে পারেন:
- Baga Beach
- Calangute Beach
- Palolem Beach
- Fort Aguada
- Basilica of Bom Jesus
- Dudhsagar Falls
- Bhagwan Mahavir Wildlife Sanctuary
তবে অক্টোবরের শুরুতে আবহাওয়া ও সমুদ্রের পরিস্থিতি দেখে জলক্রীড়া বা জলপ্রপাত ভ্রমণের পরিকল্পনা করা ভালো।
কার জন্য উপযুক্ত: বন্ধুদের group, couples এবং beach lovers।
৭. ওড়িশা – মন্দির, সমুদ্র ও সংস্কৃতির রাজ্য
বাঙালিদের কাছে ওড়িশা বরাবরই একটি জনপ্রিয় ভ্রমণ গন্তব্য। কলকাতা থেকে তুলনামূলকভাবে সহজে পৌঁছানো যায় বলে পুজোর ছুটিতে কয়েকদিনের trip-এর জন্য এটি বেশ সুবিধাজনক।
পুরী, ভুবনেশ্বর এবং কোনার্ক নিয়ে তৈরি করা যায় একটি সুন্দর heritage ও beach tour।
পুরীর জগন্নাথ মন্দির, কোনার্কের সূর্য মন্দির এবং ভুবনেশ্বরের প্রাচীন মন্দিরগুলো ওড়িশার সমৃদ্ধ ইতিহাসের পরিচয় দেয়।
প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য চিলিকা হ্রদ বিশেষ আকর্ষণ। ভাগ্য ভালো থাকলে এখানে Irrawaddy dolphin-ও দেখা যেতে পারে।
যা দেখতে পারেন:
- পুরী
- জগন্নাথ মন্দির
- কোনার্ক সূর্য মন্দির
- ভুবনেশ্বর
- চিলিকা
- পিপলি
- কোরাপুট
কার জন্য উপযুক্ত: পরিবার, ধর্মীয় পর্যটক, ইতিহাসপ্রেমী ও nature lovers।
৮. অন্ধ্রপ্রদেশ – সমুদ্র, পাহাড় ও আধ্যাত্মিকতার মেলবন্ধন
অন্ধ্রপ্রদেশে রয়েছে সমুদ্রসৈকত, পাহাড়, মন্দির এবং গ্রামীণ প্রকৃতির অসাধারণ বৈচিত্র্য।
বিশাখাপত্তনম (Vizag) থেকে শুরু করে আরাকু ভ্যালি, বোর্রা গুহা এবং তিরুপতি—সব মিলিয়ে এখানে তৈরি করা যায় একটি বৈচিত্র্যময় ভ্রমণ পরিকল্পনা।
বিশাখাপত্তনমের সমুদ্রসৈকত এবং আরাকু উপত্যকার সবুজ পাহাড় বিশেষভাবে আকর্ষণীয়।
যা দেখতে পারেন:
- বিশাখাপত্তনম
- আরাকু ভ্যালি
- বোর্রা কেভস
- কাইলাসগিরি
- রামা কৃষ্ণ বিচ
- তিরুপতি
পরিবারের সঙ্গে পুজোর ছুটিতে দক্ষিণ ভারতের সংস্কৃতি ও প্রকৃতি একসঙ্গে দেখতে চাইলে অন্ধ্রপ্রদেশ ভালো বিকল্প।
৯. কাশ্মীর – শরতের রঙে স্বর্গ
কাশ্মীরকে পৃথিবীর ভূস্বর্গ বলা হয়। আর শরতের সময় কাশ্মীরের সৌন্দর্য আরও অন্যরকম হয়ে ওঠে।
পুজোর সময় কাশ্মীরে গেলে বরফের বদলে শরতের রঙ, পাহাড়, স্বচ্ছ হ্রদ এবং উপত্যকার সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন।
শ্রীনগর, গুলমার্গ, পহেলগাম এবং সোনমার্গ—প্রতিটি জায়গার আলাদা সৌন্দর্য রয়েছে।
যা দেখতে পারেন:
- ডাল লেক
- শ্রীনগর
- গুলমার্গ
- পহেলগাম
- সোনমার্গ
- মুঘল গার্ডেন
শিকারা ride, পাহাড়ি রাস্তা, উপত্যকার দৃশ্য এবং স্থানীয় খাবার কাশ্মীর ভ্রমণের অভিজ্ঞতাকে আরও সুন্দর করে তুলবে।
কার জন্য উপযুক্ত: পরিবার, couples, photography lovers এবং nature lovers।
১০. গুজরাট – ইতিহাস থেকে Statue of Unity
গুজরাটে একসঙ্গে দেখা যায় ইতিহাস, স্থাপত্য, বন্যপ্রাণী, মরুভূমির মতো landscape এবং আধুনিক পর্যটনকেন্দ্র।
Statue of Unity গুজরাটের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। ১৮২ মিটার উচ্চতার এই বিশাল মূর্তিটি সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের স্মৃতিতে নির্মিত।
এছাড়াও গুজরাটে রয়েছে কচ্ছের রান, সোমনাথ, দ্বারকা এবং গির জাতীয় উদ্যান।
যা দেখতে পারেন:
- Statue of Unity
- Rann of Kutch
- সোমনাথ
- দ্বারকা
- গির জাতীয় উদ্যান
- আহমেদাবাদ
- ধোলাভিরা
কার জন্য উপযুক্ত: পরিবার, ইতিহাসপ্রেমী, photography lovers এবং road-trip enthusiasts।
১১. কর্ণাটক – ইতিহাস, পাহাড় ও সমুদ্র
কর্ণাটক এমন একটি রাজ্য যেখানে একই ভ্রমণে ইতিহাস, পাহাড়, সমুদ্র, বন্যপ্রাণী এবং আধুনিক শহরের অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়।
বেঙ্গালুরুর আধুনিক শহুরে পরিবেশ থেকে শুরু করে মাইসোরের রাজপ্রাসাদ, কুর্গের পাহাড়, হাম্পির ঐতিহাসিক স্থাপত্য—প্রতিটি জায়গাই আলাদা।
যা দেখতে পারেন:
- বেঙ্গালুরু
- মাইসোর
- কুর্গ
- হামপি
- চিকমাগালুর
- গোকর্ণ
- জোগ ফলস
পুজোর কয়েকদিনের ছুটিতে একটি নির্দিষ্ট route বেছে নিলে কর্ণাটক সুন্দরভাবে ঘোরা সম্ভব।
কার জন্য উপযুক্ত: পরিবার, couples, history lovers এবং road-trip lovers।
১২. পাঞ্জাব – ইতিহাস, সংস্কৃতি ও অসাধারণ খাবার
পাঞ্জাব মানেই প্রাণবন্ত সংস্কৃতি, অতিথিপরায়ণ মানুষ এবং সুস্বাদু খাবার।
অমৃতসরের Golden Temple পাঞ্জাব ভ্রমণের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। এছাড়াও Jallianwala Bagh, Wagah-Attari Border এবং অমৃতসরের পুরনো শহরের খাবার আপনার ভ্রমণকে স্মরণীয় করে তুলবে।
যা দেখতে পারেন:
- Golden Temple
- Jallianwala Bagh
- Wagah Border
- Amritsar Old City
- Patiala
- Chandigarh
পাঞ্জাবের সরসোঁ দা সাগ, মক্কি দি রোটি, লস্যি এবং বিভিন্ন স্থানীয় খাবার food lovers-দের জন্য আলাদা আকর্ষণ।
🌊 ১৩. লাক্ষাদ্বীপ – নীল সমুদ্রের মাঝে নিরিবিলি ছুটি
যারা শহরের ভিড় থেকে দূরে কয়েকদিন সম্পূর্ণ অন্যরকম পরিবেশে কাটাতে চান, তাদের জন্য লাক্ষাদ্বীপ অসাধারণ।
নীল জল, সাদা বালি, coral reefs এবং শান্ত পরিবেশ লাক্ষাদ্বীপকে ভারতের অন্যতম সুন্দর island destination করে তুলেছে।
যা করতে পারেন:
- Snorkelling
- Scuba diving
- Kayaking
- Island hopping
- Beach relaxation
তবে লাক্ষাদ্বীপে যাওয়ার আগে permit, accommodation এবং যাতায়াতের ব্যবস্থা ভালোভাবে দেখে নেওয়া জরুরি।
কার জন্য উপযুক্ত: couples, honeymooners, photographers এবং beach lovers।
✈️ পুজোর ছুটিতে কোথায় যাবেন?
আপনার ভ্রমণের ধরন অনুযায়ী গন্তব্য বেছে নিতে পারেন—
🏔️ পাহাড় চাইলে:
উত্তরাখণ্ড, কাশ্মীর, কর্ণাটক
🌊 সমুদ্র চাইলে:
গোয়া, ওড়িশা, লাক্ষাদ্বীপ, অন্ধ্রপ্রদেশ
🐅 জঙ্গল ও wildlife চাইলে:
মধ্যপ্রদেশ, অসম, গুজরাট
🏰 ইতিহাস ও রাজকীয় পরিবেশ চাইলে:
রাজস্থান, গুজরাট, তেলেঙ্গানা, কর্ণাটক
🛕 ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক ভ্রমণ চাইলে:
ওড়িশা, অসম, পাঞ্জাব, অন্ধ্রপ্রদেশ
🎒 পুজোর ভ্রমণের আগে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ টিপস
পুজোর সময় ভারতের জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে প্রচুর ভিড় হয়। তাই শেষ মুহূর্তে পরিকল্পনা না করে আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া ভালো।
- ট্রেন বা বিমানের টিকিট আগে বুক করুন।
- হোটেল আগে থেকে নিশ্চিত করুন।
- পাহাড়ি এলাকায় আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেখে বের হন।
- জঙ্গল সাফারির ক্ষেত্রে আগে থেকেই safari booking করুন।
- প্রয়োজনীয় ID proof সঙ্গে রাখুন।
- পুজোর সময় জনপ্রিয় জায়গায় অতিরিক্ত ভিড় হতে পারে—তাই itinerary খুব বেশি tight করবেন না।
- স্থানীয় আবহাওয়া ও রাস্তার পরিস্থিতি সম্পর্কে যাত্রার আগে তথ্য নিয়ে নিন।
❤️ শেষ কথা
দুর্গাপুজো শুধু কলকাতার প্যান্ডেল আর নতুন জামাকাপড়ের উৎসব নয়—এই কয়েকদিনের ছুটি পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে নতুন কোনো জায়গা আবিষ্কার করারও দারুণ সুযোগ।
আপনি পাহাড়ের ঠান্ডা হাওয়া উপভোগ করতে চান, নাকি সমুদ্রের ঢেউ, জঙ্গলের রোমাঞ্চ, রাজস্থানের রাজকীয় ইতিহাস অথবা কাশ্মীরের অপূর্ব প্রকৃতি—পুজোর ছুটিতে ভারতের প্রতিটি প্রান্তেই রয়েছে নতুন কিছু দেখার এবং নতুন কিছু শেখার সুযোগ।
তাই আর দেরি না করে নিজের পছন্দের destination বেছে নিন, ভ্রমণের পরিকল্পনা করুন এবং এবারের পুজোকে করে তুলুন আরও স্মরণীয়।
শুভ পুজো এবং শুভ ভ্রমণ! ❤️✈️




